পরমানন্দ মুদ্রণ প্রক্রিয়া
তাহলে কিভাবে পরমানন্দ কাজ করে? ঠিক আছে, পরমানন্দ মুদ্রণ মূলত কালি এবং ফ্যাব্রিককে এক হিসাবে একত্রিত করতে তাপ ব্যবহার করে।
প্রথমত, একটি নকশা বিশেষ কাগজে মুদ্রিত হয়। যে কালিগুলি ব্যবহার করা হয় তা তাপের নীচে আনা হলে গ্যাসে পরিণত হয়, তারপরে ফ্যাব্রিকের সাথে একত্রিত হয় এবং স্থায়ীভাবে কাপড়ের উপর মুদ্রণ করে। প্রভাবগুলি স্থায়ী এবং বিবর্ণ হওয়ার প্রবণতা কম, কারণ কালি ফ্যাব্রিক বা সাবস্ট্রেটে এম্বেড করা হয়, সাধারণ প্রিন্টের মতো উপরে না পড়ে।
প্রক্রিয়াটি প্রায় একটি ট্যাটুর মতো, কিন্তু আপনার ত্বকের পরিবর্তে এটি আপনার নির্বাচিত পণ্যের জন্য। তাপ ফ্যাব্রিকের ছিদ্রগুলি খুলে দেয়, তারপরে প্রযুক্ত চাপের সাথে কালি ঠান্ডা হয় এবং শক্ত আকারে ফিরে আসে।
ফলাফল হল একটি স্থায়ী, পূর্ণ রঙের ছবি যা ফাটবে না, খোসা ছাড়বে না বা সাবস্ট্রেট থেকে ধুয়ে যাবে না। প্রক্রিয়াটি কালিকে তরলে পরিণত না করে কঠিন থেকে গ্যাসে যেতে দেয়, কিছুটা শুকনো বরফের মতো। রূপান্তরটি তাপ দ্বারা শুরু হয় এবং চাপ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
এই দ্রুত এবং কার্যকর ডিজিটাল প্রিন্ট পদ্ধতিটি ছোট ব্যাচের অর্ডার এবং বিবরণের উপর নির্ভর করে এমন ডিজাইনগুলির জন্য জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাচ্ছে। পরমানন্দ মুদ্রণকে 'অল ওভার প্রিন্টিং' নামেও পরিচিত কারণ এটি আপনাকে এমন একটি নকশা বেছে নিতে দেয় যা আক্ষরিক অর্থে সীম থেকে সীমে যেতে পারে।
যদিও প্রাথমিকভাবে জনপ্রিয়চাহিদা অনুযায়ী টি-শার্ট প্রিন্ট করুন, পদ্ধতিটি সিরামিক, কাঠ এবং ধাতু ইত্যাদিতেও পাওয়া যায়, যাতে পরমানন্দ কালি পাওয়ার জন্য একটি বিশেষ আবরণ থাকে






